১১:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

অনলাইনে প্রতি মাসে ১ লক্ষ টাকা আয় করুন

  • নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : ১১:২৯:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২২
  • ১৯৪ বার পঠিত

প্রতি মাসে ১ লক্ষ টাকা আয় করুন

বর্তমানে যারা অনলাইনে কোন বিষয় নিয়ে কাজ করে তারাও প্রতি মাসে ৩০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে লক্ষাধিক টাকা পর্যন্ত আয় করে।

কি ধরনের কাজ করে অনলাইনের মাধ্যমে লক্ষ টাকা আয় করবেন তা জানতে আমাদের এই পুরো আর্টিকেল মনযোগ দিয়ে পড়ুন। অনলাইনে কোন কাজে মাসে কত টাকা ইনকাম করা যায় তার কিছু নমুনা দেখাবো, যা আপনার জন্য অনেক হেল্পফুল হবে।

  • যারা বিভিন্ন ওয়েবসাইট নিয়ে কাজ করে তারা প্রতি মাসে ২৫ হাজার টাকা থেকে শুরু করে লক্ষাধিক টাকা পর্যন্ত ইনকাম করতে পারেন।
  • যারা গ্রাফিক্স ডিজাইনার তারা বিভিন্ন ধরণের নতুন নতুন আকর্শনীয় ডিজাইন করে ভালো আয় করতে পারে, -যেমন- লগো তৈরি করে প্রতি মাসে ৩৫ হাজার টাকা থেকে শুরু করে লক্ষ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করতে পারেন।
  • যারা ওয়েব ডেভেলপার তারা অন্যের ওয়েবসাইটে কাজ করে অনলাইনে প্রতি মাসে ৫০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে কয়েক লক্ষ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করতে পারেন।

উপরোক্ত কাজ গুলো ছাড়াও অনলাইন জগতে অনেক কাজ রয়েছে যা আপনার দক্ষতা অনুসারে করতে পারলে প্রতি মাসে ঘরে বসে ৪০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত উপার্জন করতে পারবেন। আপনি অনলাইনের মাধ্যমে যে পরিমানের টাকা ইনকাম করতে পারবেন তা কোন সরকারি বা বেসরকারি চাকরি থেকে পাওয়া সম্ভব নয়।

অনলাইন ইনকাম কারার জন্য কি শিক্ষাগত যোগ্যতা দরকার

বর্তমান সময়ে অনেকে জানতে চান? অনলাইন থেকে টাকা আয় করার জন্য কত শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রয়োজন আছে কিনা? যদি আপনাকে সহজ করে বলতে গেলে বলা যায় আপনি যদি অনলাইনে কাজ করেন তাহলে এখানে কোন স্কুল-কলেজের শিক্ষাগত যোগ্যতার তেমন মূল্য নেই।

অনলাইন সেক্টরে আপনার প্রয়োজন হবে কাজের দক্ষতা। আপনি অনলাইনে যে কাজ করবেন সেই কাজে আপনি কতটা দক্ষ সেই বিষয়টি হল প্রয়োজন। আলাদা করে শিক্ষাগত যোগ্যতা তেমন প্রয়োজন নেই। এমনকি অনলাইনে কাজ করার জন্য কোন প্রকার পিএইডি করতে হয় না।

আপনি যদি কোন নামি দামি বিশ্ব বিদ্যালয়ের উচ্চ শিক্ষিত ব্যক্তি হন এবং অনলাইন কাজের জন্য আপনার সেই সার্টিফিকেট কোন কাজে আসবে না। বর্তমানে অনেক লোক আছে যারা, মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট নিয়ে অনলাইনে কাজ করে প্রতি মাসে ১ লক্ষ টাকার ও বেশি টাকা আয় করছে।

মোট কথা হয়তো আপনি পরিষ্কার হয়েছেন এখানে স্কুল-কলেজের শিক্ষগত যোগ্যতার চেয়ে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার প্রয়োজন বেশি। আপনি যদি সত্যি একজন শিক্ষিত ব্যক্তি হয়ে থাকেন তাহলে অনলাইন কাজ গুলো আপনি সঠিক ভাবে বুঝতে পারবেন এবং অল্প শিক্ষিতদের চেয়ে দ্রুত অনলাইনে কাজ করতে পারবেন।

অনলাইনে এমন অনেক কাজ রয়েছে যে গুলো করতে শিক্ষাগত যোগ্যতার কোন প্রয়োজন নেই, শুধু ইংরেজি ২৬টি বর্ণমালা এবং বাংলা  বর্ণমালা গুলো জানা থাকলে এবং দেখে পড়তে পারলেই কাজ গুলো সহজেই করা সম্ভব। অনলাইনে জনপ্রিয় কিছু কাজ যেমনঃ গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট, ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট, ভিডিও এডিটিং ইত্যাদির চাহিদা অনেক বেশি।

আপনি যদি উক্ত বিষয় গুলো নিয়ে অনলাইনে কাজ করেন তাহলে আপনাকে অবশ্যই ইংরেজি শিখতে হবে কেননা আপনি যখন দেশের বাইরের কোন মার্কেটপ্লেস গুলো’তে কাজ করবেন তখন তাদের সাথে আপনার যোগাযোগ করতে হবে।

সেই জন্য আপনাকে ইংরেজি ভাষা শিক্ষার প্রতি নজর দিতে হবে। আপনি যদি ভালো ইংরেজি না জানেন তবে আপনি বাইরের দেশের কাজ গুলো করতে পারবেন না। উক্ত যে কাজ গুলো দিয়েছে সে গুলোর বেশির ভাগ দেশের বাইরে কাজ করতে হবে। আপনার যদি শিক্ষাগত যোগ্যতা কমও থাকে তার পরেও আপনাকে আলাদা ভাবে ইংরেজি শিখতেই হবে, তা না হলে যোগাযোগ এবং কাজের ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়তে হয়।

অনলাইনে আয়ের সেরা কিছু উপায়

উক্ত বিষয় গুলো পড়ে আমরা জানতে পারলাম কোন কাজ করে কত টাকা আয় করা যায়। এখন যে বিষয় নিয়ে জানতে হবে তা হলো অনলাইনে আয় করার সেরা উপায় গুলো কি কি? আপনি যদি এই সম্পর্কে আরও জানতে চান তাহলে আমাদের সাথেই থাকুন। এখানে আমরা কিছু অনলাইন ইনকামের জনপ্রিয় কিছু টপিক বলবো।

অনলাইনে কত টাকা আয় করা যায় এবং কোথায় কাজ করবো?

০১। আর্টিকেল লিখে অনলাইন আয়

০২। ব্লগিং করে অনলাইন আয়

০৩। কপি রাইটিং করে অনলালইন আয়

০৪। গুগল এডসেন্স থেকে অনলাইন আয়

০৫। ইউটিউব থেকে আয়

০৬। ট্রান্সলেট করে অনলাইন আয়

০৭। গ্রাফিক্স ডিজাইন করে আয়

০৮। মাইক্রো জব করে আয়

আর্টিকেল লিখে অনলাইন আয়ঃ

বর্তমানে জনপ্রিয় অনলাইন কাজ গুলোর মধ্যে একটি হলো আর্টিকেল লিখে আয় করা। অনলাইন থেকে ইনকাম করার সহজ যত গুলো মাধ্যম রয়েছে তার মধ্যে আর্টিকেল লিখে আয় করা সহজ একটি পদ্ধতি ।

বর্তমানে অনলাইনে আর্টিকেল রাইটিং এর কাজ করতে অনেক কম সময় লাগে যদি আপনি কম্পিউটার টাইপিং এ ভালো থাকেন। আর যদি কম্পিউটার টাইপিং না জেনে থাকেন তাহলে আপনি ভয়েস টাইপিং করে কাজ করতে পারবেন এতে অনেক কম সময় ব্যয় হবে। আপনার টাকা ইনকমা হবে অনেক বেশি।

আর্টিকেল লিখার কাজ অনেক কম সময়ে শিখা যায়, অনেক সময় এই কাজের জন্য অনেক দক্ষ ব্যক্তি প্রয়োজন হয়। আপনি যদি একজন দক্ষ ব্যক্তি হন তাহলে নিজের সাইটে বা অন্যের সাইটে কাজ করে প্রচুর টাকা আয় করার সুযোগ থাকে।

আপনি যদি এক জন দক্ষ রাইটার হয়ে থাকেন তাহলে অনলাইন থেকে প্রতি মাসে ৫০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত রোজগার করতে পারবেন নিজের ঘরে বসেই।

ব্লগিং করে অনলাইন আয়ঃ

অনলাইনের মাধ্যমে আয় করার জন্য অনেক প্রকার মাধ্যম রয়েছে তার মধ্যে সহজ ও জনপ্রিয় মাধ্যম হল ব্লগিং করে অনলাইনে আয়।

আপনার বলতে পারে, ব্লগিং আবার কি? আপনাকে জাস্ট বুঝানোর জন্য বলছি, ব্লগিং হলো একটি ওয়েবসাইট থাকবে যেমন আমাদরে এই ওয়েবসাইট এখানে আমারা বিভিন্ন ধরনের আর্টিকেল লিখে থাকি।

আর সেই সব আর্টিকেল কোন ওয়েবসাইটে লেখাকে ব্লগিং বলে। আপনি যদি ব্লগি করে রোজগার করতে চান তাহলে আপনি প্রতি মাসে কাজের শুরুতে ২০ হাজার থেকে শুরু করে ১ লক্ষ টাকা বা তারও বেশি টাকা ইনাকম করতে পারবেন।

কপি রাইটিং করে অনলাইন আয়ঃ

কপিরাইটিং হলো, মনে করুন আপনার একটি ওয়েবসাইট রয়েছে। আপনি সেই ওয়েবসাইটে কোন টপিক নিয়ে আর্টিকেল লিখবেন কিন্তু যে বিষয় নিয়ে লিখবেন সেই বিসয়ে আপনি সঠিক ভাবে জানেন না।

তখন সেই বিষয়ে আপনি গুগলে সার্চ করে দেখবেন সেই টপিকের অনেক গুলো ওয়েবসাইট থাকবে এবং সেই সাইট গুলো থেকে আপনি লেখা কপি করে নিজের ভাষায় নতুন ফিচার দিয়ে সাজিয়ে লিখাকেই কপি রাইটিং বলে।

যারা অনলাইনে কাজ করছেন, তারা কপি রাইটিং এর কাজ করে প্রচুর টাকা আয় করছেন। আপনি যদি একজন কপি রাইটার হতে চান তাহলে আপনাকে আর্টিকেল রাইটিং বিষয়ে যাবতীয় তথ্য গুলো জানতে হবে।

আপনি যদি  কপি রাইটিং এর কাজ করেন তাহলে আপনি প্রতি মাসে ২০ হাজার থেকে শুরু করে ৬০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

গুগল এডসেন্স থেকে অনলাইন আয়

বর্তমানে অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যারা গুগল এডসেন্স ব্যবহার করে কোটি কোটি টাকা আয় করছেন। আপনার প্রশ্ন করতে পারে গুগল এডসেন্স আবার কি? গুগল এডসেন্স হলো গুগলে র একটি বড় Add নেটওয়ার্ক প্লাটফরম।

বর্তমান সময়ে গুগল এডসেন্স হলো সোনার হরিণ। এই সোনার হরিণ পেতে হলে আপনার একটি ওয়েবসাইট, একটি ইউটিউব চ্যানেল অথবা মোবাইল অ্যাপ থাকতে হবে। আপনি এই সব প্লাটর্ফমের মাধ্যমে গুগল এডসেন্স সংযুক্ত করতে পারবেন। (আপনি যে কোন ওয়েবসাইট করতে চাইলে, বিশাল আইটি থেকে কম খরচে ওয়েবসাইট করতে পারেন, বিশাল আইটি )

ওয়বসাইট, ইউটিউব, মোবাইল অ্যাপ এ কিভাবে কাজ করে? এগুলো মূলত এড বা বিজ্ঞাপন দেখায়। আপনার উক্ত প্লাটফর্ম গুলোতে যখন এডসেন্স এর বিজ্ঞাপন দেখায় তখন আপনি এটির মাধ্যমে ভালো মানের আয় করতে পারবেন।

আপনি যদি হাই লেভেলের আর্টিকেল লিখতে পারেন তাহলে গুগুল এডসেন্স প্রতি ক্লিকে ৫-১০ ডলার পর্যন্ত দিয়ে থাকে। আর যদি এভাবে দৈনিক ১০০ টি ক্লিক পরে তাহলে মোট ১০০০ ডলার আয় করতে পারেন। আর যদি এটিকে মাসিক হিসাব করা হয় তাহলে উক্ত ডলার হবে ৩০ হাজার ডলার। যা বাংলাদেশে হিসেবে ২৫ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা দাঁড়ায়, বর্তমানে বাংলাদেশের অনেক নিউজ পোর্টাল গুগুল এডসেন্স থেকে আরও বেশি আয় করে থাকে।

এটা সত্যি, আপনি যদি এডসেন্স নিয়ে কাজ করেন তাহলে মাসে কোটি টাকা ও ইনকাম করতে পারবেন। তার জন্য আপনি উক্ত ৩টি প্লাটফর্ম কাজে লাগাতে হবে। তবে যে কোন একটি প্লার্টফর্ম নিয়ে কাজ করলে আপনি ১০০% সফল হবেন এবং অনলাইন থেকে টাকা আয় করতে পারবেন।

ইউটিউব থেকে আয়ঃ

অনলাইন থেকে আয়ের সহজ ও জনপ্রিয় উপায় হলো ইউটিউব এর মাধ্যমে আয় করা। বর্তমান সময়ে ইউটিউব চ্যানেল থেকে আয় করা যেন একটি চাকরি মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে। যারাই প্রথমে অনলাইন থেকে আয় করতে চায় তারাই ব্লগিং কিংবা ইউটিউব নিয়ে কাজ শুরু করে।

“ইউটিউব” হলো গুগলের একটি ভিডিও প্লাটফর্ম। এখানে আপনি সকল প্রকার ভিডিও দেখতে পারবেন একদম ফ্রিতে। এছাড়াও মজার বিষয় হলো আপনি যদি ইউটিউব চ্যানেল নিয়ে কাজ করেন তবে এখানে ফ্রিতেই একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করতে পারবেন এবং পরিমাণ মতো ভিডিও আপলোড করে এডসেন্স যুক্ত করে টাকা আয় করতে পারবেন।

আপনি যদি ইউটিউব এ গুগলে এডসেন্স যুক্ত করতে চান তাহলে কিছু শর্ত পালন করতে হবে, তা হলো :

  • ইউটিউব চ্যানেলে এডসেন্স পেতে হলে কম পক্ষে ১০০০ হাজার সাবস্ক্রাইব থাকতে হবে।
  • ১২ মাসের মাধ্যমে কম পক্ষে ৪০০০+ হাজার ঘন্টা ওয়াচটাইম থাকতে হবে।
  • প্রতিটি ভিডিও ইউনিক হতে হবে।
  • প্রতিটি ভিডিও তে অবশ্যই সাউন্ড অথবা ভয়েস থাকতে হবে।

ট্রান্সলেট করে অনলাইন আয়ঃ

বর্তমানে সমগ্র পৃথিবীতে প্রায় হাজার ভাষার মানুষ আছে। পৃথিবীতে এমন কিছু মানুষ আছে যারা মাত্র কয়েকটি ভাষায় পারদর্শী। আবার অনেকে রয়েছে ১টি বা ২টি ভাষা জানেন, এছাড়া আর কোন ভাষা জানে না।

যখন কেউ কোনো মানুষ একটি ভাষা না জানে তখন সে সহজেই এসে সেই ভাষার একটি লোককে নিয়োগ করে তাদের নিজের ভাষায় ট্রান্সলেট করে দেয়ার জন্য।

যেমনঃ মনে করুন আমাদের বাংলাদেশে যদি একজন চায়না দেশের লোক আসে আমরা কি তাদের কথা বুঝি? না। তবে কিন্তু আমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি তো আছে, যে কিনা চায়না দেশের লোকের কথায় পারদর্শী এবং সে চায়না কথা বাংলা করতে পারেন।

যখন আপনি কোন দেশের ভাষা অন্য ভাষাতে ট্রান্সলেট করতে পারবেন, তখন আপনাকে অনেক দেশের লোক আপনাকে দিয়ে ট্রান্সলেট করিয়ে নিচে চাইবে। এই কাজ গুলো অনলাইনে প্রচুর পাওয়া যায় এবং কাজের মান আর আয় দুটাই ভালো।

আপনি যদি কোন দেশের ভাষা ট্রান্সলেট করতে পারেন তবে আপনিও নিজের ঘরে বসে অনলাইনে আয় করতে পারবনে।

এখন আপনি প্রশ্ন করতে পারেন, ট্রান্সলেট করে অনলাইনে কত টাকা ইনকাম করা যায়? আপনি যদি ভালো ট্রান্সলেট ভাষা করতে পারেন তাহলে প্রতি মাসে কম করে হলেও ৫০ হাজার থেকে শুরু করে কয়েক লক্ষ টাকা পর্যন্ত অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলোতে ইনকাম করতে পারবেন।

গ্রাফিক্স ডিজাইন করে আয়ঃ

বর্তমানে অনেক জনপ্রিয় আয়ের মাধ্যম গুলোর মধ্যে গ্রাফিক্স ডিজাইন হল সের একটি মাধ্যম। আমরা সবাই জানি গ্রাফিক্স ডিজাইন এর কাজটি সৃজনশীল। বর্তমানে এই কাজের গুরুত্ব অনেক বেশি।

অনলাইনে আপনি যদি গ্রাফিক্স ডিজাইন করে ইনকাম করতে চান তাহলে অনলাইনের অনেক প্রকার ডিজানের কাজ পাওয়া যায়। 

বর্তমানে গ্রাফিক্স ডিজাইন করে মাসে কত টাকা আয় করা যায়? গ্রাফিক্সে কাজ করে শুরুতেই ২০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে মাসে ২ লক্ষ টাকাও ইনকাম করতেছেন অনেকেই। আপনি যদি বিভিন্ন মারকেটপ্লেস কিংবা ভালো বড় কোন কোম্পানিতে গ্রাফিক্স ডিজানের কাজ করেন তাহলে সেখানে প্রতি মাসে কয়েক লক্ষ টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি রয়েছে সৌম্যর সরকারের মধ্যে

নেত্রকোনা শহর রক্ষা বাধে ভাঙ্গন

অনলাইনে প্রতি মাসে ১ লক্ষ টাকা আয় করুন

আপডেট টাইম : ১১:২৯:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২২

বর্তমানে যারা অনলাইনে কোন বিষয় নিয়ে কাজ করে তারাও প্রতি মাসে ৩০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে লক্ষাধিক টাকা পর্যন্ত আয় করে।

কি ধরনের কাজ করে অনলাইনের মাধ্যমে লক্ষ টাকা আয় করবেন তা জানতে আমাদের এই পুরো আর্টিকেল মনযোগ দিয়ে পড়ুন। অনলাইনে কোন কাজে মাসে কত টাকা ইনকাম করা যায় তার কিছু নমুনা দেখাবো, যা আপনার জন্য অনেক হেল্পফুল হবে।

  • যারা বিভিন্ন ওয়েবসাইট নিয়ে কাজ করে তারা প্রতি মাসে ২৫ হাজার টাকা থেকে শুরু করে লক্ষাধিক টাকা পর্যন্ত ইনকাম করতে পারেন।
  • যারা গ্রাফিক্স ডিজাইনার তারা বিভিন্ন ধরণের নতুন নতুন আকর্শনীয় ডিজাইন করে ভালো আয় করতে পারে, -যেমন- লগো তৈরি করে প্রতি মাসে ৩৫ হাজার টাকা থেকে শুরু করে লক্ষ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করতে পারেন।
  • যারা ওয়েব ডেভেলপার তারা অন্যের ওয়েবসাইটে কাজ করে অনলাইনে প্রতি মাসে ৫০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে কয়েক লক্ষ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করতে পারেন।

উপরোক্ত কাজ গুলো ছাড়াও অনলাইন জগতে অনেক কাজ রয়েছে যা আপনার দক্ষতা অনুসারে করতে পারলে প্রতি মাসে ঘরে বসে ৪০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত উপার্জন করতে পারবেন। আপনি অনলাইনের মাধ্যমে যে পরিমানের টাকা ইনকাম করতে পারবেন তা কোন সরকারি বা বেসরকারি চাকরি থেকে পাওয়া সম্ভব নয়।

অনলাইন ইনকাম কারার জন্য কি শিক্ষাগত যোগ্যতা দরকার

বর্তমান সময়ে অনেকে জানতে চান? অনলাইন থেকে টাকা আয় করার জন্য কত শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রয়োজন আছে কিনা? যদি আপনাকে সহজ করে বলতে গেলে বলা যায় আপনি যদি অনলাইনে কাজ করেন তাহলে এখানে কোন স্কুল-কলেজের শিক্ষাগত যোগ্যতার তেমন মূল্য নেই।

অনলাইন সেক্টরে আপনার প্রয়োজন হবে কাজের দক্ষতা। আপনি অনলাইনে যে কাজ করবেন সেই কাজে আপনি কতটা দক্ষ সেই বিষয়টি হল প্রয়োজন। আলাদা করে শিক্ষাগত যোগ্যতা তেমন প্রয়োজন নেই। এমনকি অনলাইনে কাজ করার জন্য কোন প্রকার পিএইডি করতে হয় না।

আপনি যদি কোন নামি দামি বিশ্ব বিদ্যালয়ের উচ্চ শিক্ষিত ব্যক্তি হন এবং অনলাইন কাজের জন্য আপনার সেই সার্টিফিকেট কোন কাজে আসবে না। বর্তমানে অনেক লোক আছে যারা, মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট নিয়ে অনলাইনে কাজ করে প্রতি মাসে ১ লক্ষ টাকার ও বেশি টাকা আয় করছে।

মোট কথা হয়তো আপনি পরিষ্কার হয়েছেন এখানে স্কুল-কলেজের শিক্ষগত যোগ্যতার চেয়ে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার প্রয়োজন বেশি। আপনি যদি সত্যি একজন শিক্ষিত ব্যক্তি হয়ে থাকেন তাহলে অনলাইন কাজ গুলো আপনি সঠিক ভাবে বুঝতে পারবেন এবং অল্প শিক্ষিতদের চেয়ে দ্রুত অনলাইনে কাজ করতে পারবেন।

অনলাইনে এমন অনেক কাজ রয়েছে যে গুলো করতে শিক্ষাগত যোগ্যতার কোন প্রয়োজন নেই, শুধু ইংরেজি ২৬টি বর্ণমালা এবং বাংলা  বর্ণমালা গুলো জানা থাকলে এবং দেখে পড়তে পারলেই কাজ গুলো সহজেই করা সম্ভব। অনলাইনে জনপ্রিয় কিছু কাজ যেমনঃ গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট, ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট, ভিডিও এডিটিং ইত্যাদির চাহিদা অনেক বেশি।

আপনি যদি উক্ত বিষয় গুলো নিয়ে অনলাইনে কাজ করেন তাহলে আপনাকে অবশ্যই ইংরেজি শিখতে হবে কেননা আপনি যখন দেশের বাইরের কোন মার্কেটপ্লেস গুলো’তে কাজ করবেন তখন তাদের সাথে আপনার যোগাযোগ করতে হবে।

সেই জন্য আপনাকে ইংরেজি ভাষা শিক্ষার প্রতি নজর দিতে হবে। আপনি যদি ভালো ইংরেজি না জানেন তবে আপনি বাইরের দেশের কাজ গুলো করতে পারবেন না। উক্ত যে কাজ গুলো দিয়েছে সে গুলোর বেশির ভাগ দেশের বাইরে কাজ করতে হবে। আপনার যদি শিক্ষাগত যোগ্যতা কমও থাকে তার পরেও আপনাকে আলাদা ভাবে ইংরেজি শিখতেই হবে, তা না হলে যোগাযোগ এবং কাজের ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়তে হয়।

অনলাইনে আয়ের সেরা কিছু উপায়

উক্ত বিষয় গুলো পড়ে আমরা জানতে পারলাম কোন কাজ করে কত টাকা আয় করা যায়। এখন যে বিষয় নিয়ে জানতে হবে তা হলো অনলাইনে আয় করার সেরা উপায় গুলো কি কি? আপনি যদি এই সম্পর্কে আরও জানতে চান তাহলে আমাদের সাথেই থাকুন। এখানে আমরা কিছু অনলাইন ইনকামের জনপ্রিয় কিছু টপিক বলবো।

অনলাইনে কত টাকা আয় করা যায় এবং কোথায় কাজ করবো?

০১। আর্টিকেল লিখে অনলাইন আয়

০২। ব্লগিং করে অনলাইন আয়

০৩। কপি রাইটিং করে অনলালইন আয়

০৪। গুগল এডসেন্স থেকে অনলাইন আয়

০৫। ইউটিউব থেকে আয়

০৬। ট্রান্সলেট করে অনলাইন আয়

০৭। গ্রাফিক্স ডিজাইন করে আয়

০৮। মাইক্রো জব করে আয়

আর্টিকেল লিখে অনলাইন আয়ঃ

বর্তমানে জনপ্রিয় অনলাইন কাজ গুলোর মধ্যে একটি হলো আর্টিকেল লিখে আয় করা। অনলাইন থেকে ইনকাম করার সহজ যত গুলো মাধ্যম রয়েছে তার মধ্যে আর্টিকেল লিখে আয় করা সহজ একটি পদ্ধতি ।

বর্তমানে অনলাইনে আর্টিকেল রাইটিং এর কাজ করতে অনেক কম সময় লাগে যদি আপনি কম্পিউটার টাইপিং এ ভালো থাকেন। আর যদি কম্পিউটার টাইপিং না জেনে থাকেন তাহলে আপনি ভয়েস টাইপিং করে কাজ করতে পারবেন এতে অনেক কম সময় ব্যয় হবে। আপনার টাকা ইনকমা হবে অনেক বেশি।

আর্টিকেল লিখার কাজ অনেক কম সময়ে শিখা যায়, অনেক সময় এই কাজের জন্য অনেক দক্ষ ব্যক্তি প্রয়োজন হয়। আপনি যদি একজন দক্ষ ব্যক্তি হন তাহলে নিজের সাইটে বা অন্যের সাইটে কাজ করে প্রচুর টাকা আয় করার সুযোগ থাকে।

আপনি যদি এক জন দক্ষ রাইটার হয়ে থাকেন তাহলে অনলাইন থেকে প্রতি মাসে ৫০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত রোজগার করতে পারবেন নিজের ঘরে বসেই।

ব্লগিং করে অনলাইন আয়ঃ

অনলাইনের মাধ্যমে আয় করার জন্য অনেক প্রকার মাধ্যম রয়েছে তার মধ্যে সহজ ও জনপ্রিয় মাধ্যম হল ব্লগিং করে অনলাইনে আয়।

আপনার বলতে পারে, ব্লগিং আবার কি? আপনাকে জাস্ট বুঝানোর জন্য বলছি, ব্লগিং হলো একটি ওয়েবসাইট থাকবে যেমন আমাদরে এই ওয়েবসাইট এখানে আমারা বিভিন্ন ধরনের আর্টিকেল লিখে থাকি।

আর সেই সব আর্টিকেল কোন ওয়েবসাইটে লেখাকে ব্লগিং বলে। আপনি যদি ব্লগি করে রোজগার করতে চান তাহলে আপনি প্রতি মাসে কাজের শুরুতে ২০ হাজার থেকে শুরু করে ১ লক্ষ টাকা বা তারও বেশি টাকা ইনাকম করতে পারবেন।

কপি রাইটিং করে অনলাইন আয়ঃ

কপিরাইটিং হলো, মনে করুন আপনার একটি ওয়েবসাইট রয়েছে। আপনি সেই ওয়েবসাইটে কোন টপিক নিয়ে আর্টিকেল লিখবেন কিন্তু যে বিষয় নিয়ে লিখবেন সেই বিসয়ে আপনি সঠিক ভাবে জানেন না।

তখন সেই বিষয়ে আপনি গুগলে সার্চ করে দেখবেন সেই টপিকের অনেক গুলো ওয়েবসাইট থাকবে এবং সেই সাইট গুলো থেকে আপনি লেখা কপি করে নিজের ভাষায় নতুন ফিচার দিয়ে সাজিয়ে লিখাকেই কপি রাইটিং বলে।

যারা অনলাইনে কাজ করছেন, তারা কপি রাইটিং এর কাজ করে প্রচুর টাকা আয় করছেন। আপনি যদি একজন কপি রাইটার হতে চান তাহলে আপনাকে আর্টিকেল রাইটিং বিষয়ে যাবতীয় তথ্য গুলো জানতে হবে।

আপনি যদি  কপি রাইটিং এর কাজ করেন তাহলে আপনি প্রতি মাসে ২০ হাজার থেকে শুরু করে ৬০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

গুগল এডসেন্স থেকে অনলাইন আয়

বর্তমানে অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যারা গুগল এডসেন্স ব্যবহার করে কোটি কোটি টাকা আয় করছেন। আপনার প্রশ্ন করতে পারে গুগল এডসেন্স আবার কি? গুগল এডসেন্স হলো গুগলে র একটি বড় Add নেটওয়ার্ক প্লাটফরম।

বর্তমান সময়ে গুগল এডসেন্স হলো সোনার হরিণ। এই সোনার হরিণ পেতে হলে আপনার একটি ওয়েবসাইট, একটি ইউটিউব চ্যানেল অথবা মোবাইল অ্যাপ থাকতে হবে। আপনি এই সব প্লাটর্ফমের মাধ্যমে গুগল এডসেন্স সংযুক্ত করতে পারবেন। (আপনি যে কোন ওয়েবসাইট করতে চাইলে, বিশাল আইটি থেকে কম খরচে ওয়েবসাইট করতে পারেন, বিশাল আইটি )

ওয়বসাইট, ইউটিউব, মোবাইল অ্যাপ এ কিভাবে কাজ করে? এগুলো মূলত এড বা বিজ্ঞাপন দেখায়। আপনার উক্ত প্লাটফর্ম গুলোতে যখন এডসেন্স এর বিজ্ঞাপন দেখায় তখন আপনি এটির মাধ্যমে ভালো মানের আয় করতে পারবেন।

আপনি যদি হাই লেভেলের আর্টিকেল লিখতে পারেন তাহলে গুগুল এডসেন্স প্রতি ক্লিকে ৫-১০ ডলার পর্যন্ত দিয়ে থাকে। আর যদি এভাবে দৈনিক ১০০ টি ক্লিক পরে তাহলে মোট ১০০০ ডলার আয় করতে পারেন। আর যদি এটিকে মাসিক হিসাব করা হয় তাহলে উক্ত ডলার হবে ৩০ হাজার ডলার। যা বাংলাদেশে হিসেবে ২৫ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা দাঁড়ায়, বর্তমানে বাংলাদেশের অনেক নিউজ পোর্টাল গুগুল এডসেন্স থেকে আরও বেশি আয় করে থাকে।

এটা সত্যি, আপনি যদি এডসেন্স নিয়ে কাজ করেন তাহলে মাসে কোটি টাকা ও ইনকাম করতে পারবেন। তার জন্য আপনি উক্ত ৩টি প্লাটফর্ম কাজে লাগাতে হবে। তবে যে কোন একটি প্লার্টফর্ম নিয়ে কাজ করলে আপনি ১০০% সফল হবেন এবং অনলাইন থেকে টাকা আয় করতে পারবেন।

ইউটিউব থেকে আয়ঃ

অনলাইন থেকে আয়ের সহজ ও জনপ্রিয় উপায় হলো ইউটিউব এর মাধ্যমে আয় করা। বর্তমান সময়ে ইউটিউব চ্যানেল থেকে আয় করা যেন একটি চাকরি মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে। যারাই প্রথমে অনলাইন থেকে আয় করতে চায় তারাই ব্লগিং কিংবা ইউটিউব নিয়ে কাজ শুরু করে।

“ইউটিউব” হলো গুগলের একটি ভিডিও প্লাটফর্ম। এখানে আপনি সকল প্রকার ভিডিও দেখতে পারবেন একদম ফ্রিতে। এছাড়াও মজার বিষয় হলো আপনি যদি ইউটিউব চ্যানেল নিয়ে কাজ করেন তবে এখানে ফ্রিতেই একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করতে পারবেন এবং পরিমাণ মতো ভিডিও আপলোড করে এডসেন্স যুক্ত করে টাকা আয় করতে পারবেন।

আপনি যদি ইউটিউব এ গুগলে এডসেন্স যুক্ত করতে চান তাহলে কিছু শর্ত পালন করতে হবে, তা হলো :

  • ইউটিউব চ্যানেলে এডসেন্স পেতে হলে কম পক্ষে ১০০০ হাজার সাবস্ক্রাইব থাকতে হবে।
  • ১২ মাসের মাধ্যমে কম পক্ষে ৪০০০+ হাজার ঘন্টা ওয়াচটাইম থাকতে হবে।
  • প্রতিটি ভিডিও ইউনিক হতে হবে।
  • প্রতিটি ভিডিও তে অবশ্যই সাউন্ড অথবা ভয়েস থাকতে হবে।

ট্রান্সলেট করে অনলাইন আয়ঃ

বর্তমানে সমগ্র পৃথিবীতে প্রায় হাজার ভাষার মানুষ আছে। পৃথিবীতে এমন কিছু মানুষ আছে যারা মাত্র কয়েকটি ভাষায় পারদর্শী। আবার অনেকে রয়েছে ১টি বা ২টি ভাষা জানেন, এছাড়া আর কোন ভাষা জানে না।

যখন কেউ কোনো মানুষ একটি ভাষা না জানে তখন সে সহজেই এসে সেই ভাষার একটি লোককে নিয়োগ করে তাদের নিজের ভাষায় ট্রান্সলেট করে দেয়ার জন্য।

যেমনঃ মনে করুন আমাদের বাংলাদেশে যদি একজন চায়না দেশের লোক আসে আমরা কি তাদের কথা বুঝি? না। তবে কিন্তু আমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি তো আছে, যে কিনা চায়না দেশের লোকের কথায় পারদর্শী এবং সে চায়না কথা বাংলা করতে পারেন।

যখন আপনি কোন দেশের ভাষা অন্য ভাষাতে ট্রান্সলেট করতে পারবেন, তখন আপনাকে অনেক দেশের লোক আপনাকে দিয়ে ট্রান্সলেট করিয়ে নিচে চাইবে। এই কাজ গুলো অনলাইনে প্রচুর পাওয়া যায় এবং কাজের মান আর আয় দুটাই ভালো।

আপনি যদি কোন দেশের ভাষা ট্রান্সলেট করতে পারেন তবে আপনিও নিজের ঘরে বসে অনলাইনে আয় করতে পারবনে।

এখন আপনি প্রশ্ন করতে পারেন, ট্রান্সলেট করে অনলাইনে কত টাকা ইনকাম করা যায়? আপনি যদি ভালো ট্রান্সলেট ভাষা করতে পারেন তাহলে প্রতি মাসে কম করে হলেও ৫০ হাজার থেকে শুরু করে কয়েক লক্ষ টাকা পর্যন্ত অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলোতে ইনকাম করতে পারবেন।

গ্রাফিক্স ডিজাইন করে আয়ঃ

বর্তমানে অনেক জনপ্রিয় আয়ের মাধ্যম গুলোর মধ্যে গ্রাফিক্স ডিজাইন হল সের একটি মাধ্যম। আমরা সবাই জানি গ্রাফিক্স ডিজাইন এর কাজটি সৃজনশীল। বর্তমানে এই কাজের গুরুত্ব অনেক বেশি।

অনলাইনে আপনি যদি গ্রাফিক্স ডিজাইন করে ইনকাম করতে চান তাহলে অনলাইনের অনেক প্রকার ডিজানের কাজ পাওয়া যায়। 

বর্তমানে গ্রাফিক্স ডিজাইন করে মাসে কত টাকা আয় করা যায়? গ্রাফিক্সে কাজ করে শুরুতেই ২০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে মাসে ২ লক্ষ টাকাও ইনকাম করতেছেন অনেকেই। আপনি যদি বিভিন্ন মারকেটপ্লেস কিংবা ভালো বড় কোন কোম্পানিতে গ্রাফিক্স ডিজানের কাজ করেন তাহলে সেখানে প্রতি মাসে কয়েক লক্ষ টাকা ইনকাম করতে পারবেন।