১২:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

হার্দিক পান্ডিয়ার দাপটে আইপিএলের শীর্ষে গুজরাত

  • স্পোর্ট ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : ১১:০৮:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ এপ্রিল ২০২২
  • ১৭১ বার পঠিত

হার্দিক পান্ডিয়ার দাপটে আইপিএলের শীর্ষে গুজরাত

জিতে ফিরল গুজরাত টাইটান্স দল। গত বৃহস্পতিবার আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসকে ৩৭ রানে হারিয়ে দিল গুজরাত। ব্যাট, বল এবং ফিল্ডিংয়ে মাতিয়ে দিলেন হার্দিক পান্ডিয়ার দল।

রাজস্থান রয়্যালস এর অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসনের দল কোনও জবাবই খুঁজে পেল না। ৫ ম্যাচে আট পয়েন্ট নিয়ে আইপিএলে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে উঠে গেল গুজরাত। ১মে ব্যাট করে ১৯২-৪ তুলেছিল গুজরাত।সেই জবাবে ১৫৫ রানেই শেষ রাজস্থান।

প্রথমে টসে জিতে ফিল্ডিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রাথমিক ভাবে কাজে লেগে গিয়েছিল রাজস্থানের পক্ষে। গুজ-রাত শুরুতেই হারায় ম্যাথু ওয়েড এর উইকেট। টি-২০ বিশ্বকাপের তারকা ক্রিকেটারের খারাপ ছন্দ অব্যাহত। আর কবে ঋদ্ধিমান সাহাকে খেলানো হবে, তা বোধহয় গুজ-রাত কর্তারাই বলতে পারবেন। দলের বিজয় শঙ্কর রান করাই ভুলে গিয়েছেন। ঐ দিনও সাত বলে মাত্র ২ রান করে ফিরলেন। পঞ্চাশ পেরনোর পরেই গুজরাত হারিয়ে ফেলল শুভমন গিলকেও।

কিন্তু ঐ সময়ে ও কেউ জানত না বিপদ অন্য দিক থেকে আসতে চলেছে। ৪ এ নেমে প্রথম থেকেই আগ্রাসী মনে-ভাব নিয়ে খেলতে শুরু করেছিলেন হার্দিক পান্ডিয়া। বেটারের ভালো সঙ্গী হিসেবে পেয়ে গেলেন তরুণ অভিনব মনোহরকে। আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে ২৮ বলে ৪৪ করেছেন মনোহর। ৪টি চার এবং ২টি ছক্কা মেরেছেন। সে আর ভালো করতে পারত যদি অনভিজ্ঞের মতো শট না খেললে হয়তো প্রথম অর্ধশত রানও পেয়ে যেতেন তিনি।

হার্দিক পান্ডিয়া ক্রমশ নিজেকে যেন পরের টি২০ বিশ্বকাপের দাবিদার হিসেবে প্রমাণ করে চলেছেন। একে তো অধিনায়ক হিসেবে তর-তর করে এগোচ্ছেন দল নিয়ে। সেই সাথে ব্যাট, বল এবং ফিল্ডিংয়েও মাতিয়ে দিচ্ছেন। এছাড়া গত ম্যাচে হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে এই ডিওয়াই পাটিল স্টেডিয়ামেই অর্ধ শত রান করেছিলেন। ওই দিন মরসুমের ২য় ৫০ এল তাঁর ব্যাট থেকে। হাতে কিছু বল থাকলে হয়তো ১০০ রান করে ফেলতে পারতেন হার্দিক। থামলেন ৪২ বলে ৮৭ রানে। ৮টি চার এবং ৪টি ছয়ের সাহায্যে। শেষ দিকে ডেভিড মিলারের অপরাজিত ৩১ রানের সৌজন্যে লড়াকু স্কোর খাড়া করে গুজরাত দল।

শেষ জবাবে জস বাটলারের সৌজন্যে শুরুটা দুরন্ত করেছিল রাজস্থান।সেই সময় জস বাটলারকে দেখে মনে হচ্ছিল খেলা যেন অনেক দ্রুত শেষ করতে চান। দেব দত্ত পাড়িক্কল প্রথম বলেই ফিরে আউট হয়ে সাজ ঘরে ফিরে জান। তারপর সবাইকে অবাক করে ক্রিজে আসতে দেখা যায় রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে। গুজরাতকে চাপে রাখার খেলা খেলতে চেয়েছিল রাজস্থান। কিন্তু টুটকা কাজে লাগল না। অশ্বিন নামা মাত্রই আট রানে ফিরলেন। এরপর লকি ফার্গুসন কে ছক্কা মেরে অর্ধশত রান করলেও পরের বলেই তাঁর বুদ্ধির কাছে ঠকে গিয়ে ৫৪ রানে ফিরলেন বাটলার। দুর্দান্ত থ্রোয়ে সঞ্জুকে ফিরিয়ে দেন হার্দিকও। সেইখানেই রাজস্থানের জয়ের আশা শেষ হয়ে যায়। মাঝে তবু শিমরন হেটমেয়ার একটু চেষ্টা করেছিলেন ম্যাচ কে এগিয়ে নিতে। কিন্তু তার ও শেষ রক্ষা হল না, ২৯ রানে ফিরে যান সাজ ঘরে।

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি রয়েছে সৌম্যর সরকারের মধ্যে

নেত্রকোনা শহর রক্ষা বাধে ভাঙ্গন

হার্দিক পান্ডিয়ার দাপটে আইপিএলের শীর্ষে গুজরাত

আপডেট টাইম : ১১:০৮:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ এপ্রিল ২০২২

জিতে ফিরল গুজরাত টাইটান্স দল। গত বৃহস্পতিবার আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসকে ৩৭ রানে হারিয়ে দিল গুজরাত। ব্যাট, বল এবং ফিল্ডিংয়ে মাতিয়ে দিলেন হার্দিক পান্ডিয়ার দল।

রাজস্থান রয়্যালস এর অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসনের দল কোনও জবাবই খুঁজে পেল না। ৫ ম্যাচে আট পয়েন্ট নিয়ে আইপিএলে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে উঠে গেল গুজরাত। ১মে ব্যাট করে ১৯২-৪ তুলেছিল গুজরাত।সেই জবাবে ১৫৫ রানেই শেষ রাজস্থান।

প্রথমে টসে জিতে ফিল্ডিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রাথমিক ভাবে কাজে লেগে গিয়েছিল রাজস্থানের পক্ষে। গুজ-রাত শুরুতেই হারায় ম্যাথু ওয়েড এর উইকেট। টি-২০ বিশ্বকাপের তারকা ক্রিকেটারের খারাপ ছন্দ অব্যাহত। আর কবে ঋদ্ধিমান সাহাকে খেলানো হবে, তা বোধহয় গুজ-রাত কর্তারাই বলতে পারবেন। দলের বিজয় শঙ্কর রান করাই ভুলে গিয়েছেন। ঐ দিনও সাত বলে মাত্র ২ রান করে ফিরলেন। পঞ্চাশ পেরনোর পরেই গুজরাত হারিয়ে ফেলল শুভমন গিলকেও।

কিন্তু ঐ সময়ে ও কেউ জানত না বিপদ অন্য দিক থেকে আসতে চলেছে। ৪ এ নেমে প্রথম থেকেই আগ্রাসী মনে-ভাব নিয়ে খেলতে শুরু করেছিলেন হার্দিক পান্ডিয়া। বেটারের ভালো সঙ্গী হিসেবে পেয়ে গেলেন তরুণ অভিনব মনোহরকে। আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে ২৮ বলে ৪৪ করেছেন মনোহর। ৪টি চার এবং ২টি ছক্কা মেরেছেন। সে আর ভালো করতে পারত যদি অনভিজ্ঞের মতো শট না খেললে হয়তো প্রথম অর্ধশত রানও পেয়ে যেতেন তিনি।

হার্দিক পান্ডিয়া ক্রমশ নিজেকে যেন পরের টি২০ বিশ্বকাপের দাবিদার হিসেবে প্রমাণ করে চলেছেন। একে তো অধিনায়ক হিসেবে তর-তর করে এগোচ্ছেন দল নিয়ে। সেই সাথে ব্যাট, বল এবং ফিল্ডিংয়েও মাতিয়ে দিচ্ছেন। এছাড়া গত ম্যাচে হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে এই ডিওয়াই পাটিল স্টেডিয়ামেই অর্ধ শত রান করেছিলেন। ওই দিন মরসুমের ২য় ৫০ এল তাঁর ব্যাট থেকে। হাতে কিছু বল থাকলে হয়তো ১০০ রান করে ফেলতে পারতেন হার্দিক। থামলেন ৪২ বলে ৮৭ রানে। ৮টি চার এবং ৪টি ছয়ের সাহায্যে। শেষ দিকে ডেভিড মিলারের অপরাজিত ৩১ রানের সৌজন্যে লড়াকু স্কোর খাড়া করে গুজরাত দল।

শেষ জবাবে জস বাটলারের সৌজন্যে শুরুটা দুরন্ত করেছিল রাজস্থান।সেই সময় জস বাটলারকে দেখে মনে হচ্ছিল খেলা যেন অনেক দ্রুত শেষ করতে চান। দেব দত্ত পাড়িক্কল প্রথম বলেই ফিরে আউট হয়ে সাজ ঘরে ফিরে জান। তারপর সবাইকে অবাক করে ক্রিজে আসতে দেখা যায় রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে। গুজরাতকে চাপে রাখার খেলা খেলতে চেয়েছিল রাজস্থান। কিন্তু টুটকা কাজে লাগল না। অশ্বিন নামা মাত্রই আট রানে ফিরলেন। এরপর লকি ফার্গুসন কে ছক্কা মেরে অর্ধশত রান করলেও পরের বলেই তাঁর বুদ্ধির কাছে ঠকে গিয়ে ৫৪ রানে ফিরলেন বাটলার। দুর্দান্ত থ্রোয়ে সঞ্জুকে ফিরিয়ে দেন হার্দিকও। সেইখানেই রাজস্থানের জয়ের আশা শেষ হয়ে যায়। মাঝে তবু শিমরন হেটমেয়ার একটু চেষ্টা করেছিলেন ম্যাচ কে এগিয়ে নিতে। কিন্তু তার ও শেষ রক্ষা হল না, ২৯ রানে ফিরে যান সাজ ঘরে।