০৫:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

গৌরীপুরে অগ্নিকাণ্ডে ৯ টি ঘরসহ সমস্ত মালামাল পুড়ে ছাড়খাড়।

  • সময়ঃ ০৬:২০:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৩
  • ৫১ সময়

দিলীপ কুমার দাস নিজস্ব প্রতিনিধি।

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে বৃহসপতিবার (২১ ডিসেম্বর ) গভীর রাতে উপজেলার ডৌহাখলা ইউনিয়নের চুড়ালী গ্রামে ৯ ঘরসহ দুটি গাভী আগুনে পুড়ে ছাড়খাড় হয়েছে।

ধারণা করা হচ্ছে গোয়াল ঘর থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। আগুনে ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন- উল্লেখিত গ্রামের আব্দুল সালাম ও আবুল কাসেম।

এছাড়াও আগুনের তীব্রতা থেকে বাঁচতে ভাঙতে হয়েছে তাদের ভাতিজা সারোয়ার ও ফারুকের বসত ও গোয়াল ঘর। খরব পেয়ে গৌরীপুর দমকল বাহিনীর সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে তার আগেই আগুনে পুড়ে সব শেষ হয়ে গেছে বলে জানান ভুক্তভোগীরা।

আবুল কাসেম জানান- রাত ১১টার দিকে মানুষের চিৎকার চেচামেচি শুনে তাদের ঘুম ভাঙ্গে। দেখেন শুধু ধোঁয়া আর ধোয়ায় ঘর ভরে যাচ্ছে ও চালে আগুন জ্বলছে। জীবন বাঁচাতে স্ত্রীকে নিয়ে তিনি ঘর থেকে বের হয়ে আসেন। কাপড়চোপড়, ধান-চাল কিছুই তাদের অবশিষ্ট নেই। প্রতিবেশিরা এসে গোয়াল ঘরের থাকা ৬টি গরুর মধ্যে চারটিকে বাঁচাতে পেরেছেন, একটি গর্ভবতী গাভীসহ দুইটি গরু পুড়ে গেছে।

প্রতিবেশি সাইদুল ইসলাম জানান- তিনি ঘুমাচ্ছিলেন, হঠাৎ মানুষের আগুন আগুন চিৎকার শুনে তার ঘুম ভাঙ্গে। ঘর থেকে বের হয়ে দেখেন আবুল কাসেমের ঘরে আগুন জ্বলছে। তিনি দৌড়ে এসে ঘোয়াল ঘর থেকে গরুগুলো বের করেন। দুইটি গরুর শরীরে আগেই আগুন ধরে গেছে তাই সেগুলো বের করতে পারেননি।

গৌরীপুর ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ মোঃ শাহজাদা বলেন- ৯৯৯-এ কল পেয়ে তিনি তাৎক্ষণিক দুইটি ইউনিট নিয়ে বের হন। কিন্তু লোকেশন ট্র্যাকিং করতে সময় লাগে।

এছাড়া সরু সড়ক হওয়ার কারণে বড় গাড়িটি অনেক দুর রেখে যেতে হয়েছে, যে কারণে ঘটনাস্থলে পৌঁছুতে পৌঁছুতে ঘরগুলো পুড়ে যায়। দুইটি টিনের বসত ঘর, দুইটি রান্না ঘর ও দুইটি গোয়াল ঘর, তিনটি ছোট ঘর ও দুইটি গাভী আগুনে পুড়ে গেছে। এতে আনুমানিক ৮ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে জানাগেছে।

About Author Information

জনপ্রিয় নিউজ

অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক এবং শ্রীময়ী চট্টরাজের নতুন জীবন শুরু

গৌরীপুরে অগ্নিকাণ্ডে ৯ টি ঘরসহ সমস্ত মালামাল পুড়ে ছাড়খাড়।

সময়ঃ ০৬:২০:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৩

দিলীপ কুমার দাস নিজস্ব প্রতিনিধি।

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে বৃহসপতিবার (২১ ডিসেম্বর ) গভীর রাতে উপজেলার ডৌহাখলা ইউনিয়নের চুড়ালী গ্রামে ৯ ঘরসহ দুটি গাভী আগুনে পুড়ে ছাড়খাড় হয়েছে।

ধারণা করা হচ্ছে গোয়াল ঘর থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। আগুনে ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন- উল্লেখিত গ্রামের আব্দুল সালাম ও আবুল কাসেম।

এছাড়াও আগুনের তীব্রতা থেকে বাঁচতে ভাঙতে হয়েছে তাদের ভাতিজা সারোয়ার ও ফারুকের বসত ও গোয়াল ঘর। খরব পেয়ে গৌরীপুর দমকল বাহিনীর সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে তার আগেই আগুনে পুড়ে সব শেষ হয়ে গেছে বলে জানান ভুক্তভোগীরা।

আবুল কাসেম জানান- রাত ১১টার দিকে মানুষের চিৎকার চেচামেচি শুনে তাদের ঘুম ভাঙ্গে। দেখেন শুধু ধোঁয়া আর ধোয়ায় ঘর ভরে যাচ্ছে ও চালে আগুন জ্বলছে। জীবন বাঁচাতে স্ত্রীকে নিয়ে তিনি ঘর থেকে বের হয়ে আসেন। কাপড়চোপড়, ধান-চাল কিছুই তাদের অবশিষ্ট নেই। প্রতিবেশিরা এসে গোয়াল ঘরের থাকা ৬টি গরুর মধ্যে চারটিকে বাঁচাতে পেরেছেন, একটি গর্ভবতী গাভীসহ দুইটি গরু পুড়ে গেছে।

প্রতিবেশি সাইদুল ইসলাম জানান- তিনি ঘুমাচ্ছিলেন, হঠাৎ মানুষের আগুন আগুন চিৎকার শুনে তার ঘুম ভাঙ্গে। ঘর থেকে বের হয়ে দেখেন আবুল কাসেমের ঘরে আগুন জ্বলছে। তিনি দৌড়ে এসে ঘোয়াল ঘর থেকে গরুগুলো বের করেন। দুইটি গরুর শরীরে আগেই আগুন ধরে গেছে তাই সেগুলো বের করতে পারেননি।

গৌরীপুর ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ মোঃ শাহজাদা বলেন- ৯৯৯-এ কল পেয়ে তিনি তাৎক্ষণিক দুইটি ইউনিট নিয়ে বের হন। কিন্তু লোকেশন ট্র্যাকিং করতে সময় লাগে।

এছাড়া সরু সড়ক হওয়ার কারণে বড় গাড়িটি অনেক দুর রেখে যেতে হয়েছে, যে কারণে ঘটনাস্থলে পৌঁছুতে পৌঁছুতে ঘরগুলো পুড়ে যায়। দুইটি টিনের বসত ঘর, দুইটি রান্না ঘর ও দুইটি গোয়াল ঘর, তিনটি ছোট ঘর ও দুইটি গাভী আগুনে পুড়ে গেছে। এতে আনুমানিক ৮ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে জানাগেছে।